লালমনিরহাট সংবাদদাতা।। ঢাকা থেকে ফেরার পথে নিহত পোশাককর্মী মাহমুদা বেগম মৌসুমির (২১) লাশ দাফনে বাধা দিয়েছিলেন লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান শাহ নেওয়াজ নিশাত। জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কমিটি ঘটনাটি তদন্তের পর এ তথ্য জানান জেলা প্রশাসক মোঃ আবু জাফর।
কিন্তু তিনি অনুমতি না দিলে লাশ দাফনের জন্য অ্যাম্বুলেন্স ড্রাইভারকে পাঁচ হাজার টাকা দেন গোলাম মোস্তফা। কিন্তু অ্যাম্বুলেন্স ড্রাইভার লাশটি দাফন না করে তিস্তা নদীতে ভাসিয়ে দেন। সেই লাশ নদী থেকে উদ্ধার করে দাফনের ব্যবস্থা করে আদিতমারী থানা পুলিশ।
লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, লালমনিরহাটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ও স্থানীয় সরকার বিভাগের ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক(ডিডি) রফিকুল ইসলাম গত ২৬ মে সরেজমিনে ঘটনা তদন্তে বুড়িমারী ইউনিয়নে যান। তদন্ত শেষে জেলা প্রশাসক বরাবরে প্রতিবেদন দাখিল করেন। লাশ দাফনে বাধা দেওয়ার সঙ্গে ইউপি চেয়ারম্যানের সম্পৃক্ততা ছিল বলে প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
লালমনিরহাট জেলা পুলিশ সুপার আবিদা সুলতানা বলেন, ‘কল লিস্ট যাচাই-বাছাই করে জানা গেছে, নিহত মৌসুমির বাবা লাশ দাফনে অনুমতির জন্য বুড়িমারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের সঙ্গে মোবাইলে কথা বলেছিলেন। ওই সময় চেয়ারম্যান লাশ এলাকায় দাফনে বাধা দেন। এ বিষয়ে আদিতমারী থানায় ইউডি মামলা হয়েছে। মৃত্যুর কারণ এবং লাশ দাফনে বাধা দেওয়ার বিষয়ে অধিকতর তদন্ত চলছে।’